250 mL Na2CO3 দ্রবণের ঘনত্ব 0.5M থেকে কমিয়ে 0.1 M করতে কতটুকু পানি যোগ করতে হবে?

Updated: 1 year ago
  • 500 mL
  • 1000 mL
  • 250 mL
  • 1250 mL
133
ব্যাখ্যাঃ

তরল দ্রবণের ঘনমাত্রা পরিবর্তন করতে সাধারণত দ্রাবক (solvent) যোগ করা হয়। যখন একটি দ্রবণকে লঘু করা হয়, তখন দ্রবের মোট মোল সংখ্যা একই থাকে, কিন্তু দ্রবণের আয়তন বৃদ্ধি পায় এবং ঘনমাত্রা কমে যায়। এই প্রক্রিয়াটি গণনার জন্য লঘুকরণের সূত্র (Dilution Formula) ব্যবহার করা হয়:

\[M_1V_1 = M_2V_2\]

যেখানে,

        
  • \(M_1\) = প্রারম্ভিক ঘনমাত্রা (Initial Molarity)
  •     
  • \(V_1\) = প্রারম্ভিক আয়তন (Initial Volume)
  •     
  • \(M_2\) = চূড়ান্ত ঘনমাত্রা (Final Molarity)
  •     
  • \(V_2\) = চূড়ান্ত আয়তন (Final Volume)

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী:

        
  • প্রারম্ভিক আয়তন, \(V_1\) = 250 mL
  •     
  • প্রারম্ভিক ঘনমাত্রা, \(M_1\) = 0.5 M
  •     
  • চূড়ান্ত ঘনমাত্রা, \(M_2\) = 0.1 M
  •     
  • চূড়ান্ত আয়তন, \(V_2\) = ?

এখন, সূত্রটিতে মানগুলো বসিয়ে পাই:

\(0.5 \text{ M} \times 250 \text{ mL} = 0.1 \text{ M} \times V_2\)

বা, \(V_2 = \frac{0.5 \text{ M} \times 250 \text{ mL}}{0.1 \text{ M}}\)

বা, \(V_2 = \frac{125}{0.1} \text{ mL}\)

বা, \(V_2 = 1250 \text{ mL}\)

এটি হল দ্রবণের চূড়ান্ত আয়তন। কিন্তু প্রশ্ন করা হয়েছে কতটুকু পানি যোগ করতে হবে। সুতরাং, যোগ করা পানির পরিমাণ হবে চূড়ান্ত আয়তন থেকে প্রারম্ভিক আয়তন বিয়োগ করে:

যোগ করা পানির পরিমাণ = \(V_2 - V_1\)

= \(1250 \text{ mL} - 250 \text{ mL}\)

= \(1000 \text{ mL}\)

অতএব, 1000 mL পানি যোগ করতে হবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago

পরিমাণগত রসায়ন কাকে বলে?

উত্তরঃ রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়ক ও উৎপাদের মোলভিত্তিক গণনাকে পরিমাণগত রসায়ন বা Stoichiometric Chemistry বলে।

 

মিথাইল অরেঞ্জ এসিড মাধ্যমে কি বর্ণ দেয়?

উত্তরঃ মিথাইল অরেঞ্জ এসিড মাধ্যমে লাল বর্ণ দেয়।

 

অম্লত্ব কী?

উত্তর : ক্ষারক কর্তৃক এসিডকে প্রশমিত করার ক্ষমতাই ঐ ক্ষারকের অম্লত্ব।

 

সেমিমোলার দ্রবণের ঘনমাত্রা কত?

উত্তর : সেমিমোলার দ্রবণের ঘনমাত্রা 0.5M।

 

দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের শতকরা হারকে কয়ভাগে প্রকাশ করা যায়?

উত্তর : দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের শতকরা হারকে ৩ ভাগে প্রকাশ করা যায়।

 

মোলার এবজরবিটি কাকে বলে?

উত্তর : মোল এককে শোষিত বস্তুর ওজনকে মোলার এবজরবিটি বলে।

 

অণু কর্তৃক শোষিত আলো কোন নীতির সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়?

উত্তর : বিয়ার নীতি ও ল্যাম্বার্ট নীতি।

 

জারক কাকে বলে?

উত্তরঃ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে পরমাণু বা মূলক বা যৌগ অন্য পরমাণু, মূলক বা যৌগকে জারিত করে তাকে জারক বলে। যেমন, O2, HNO₃, KMnO₄, K2Cr2O7, HCl, CO2, K3[Fe(CN)6], H2O2 ইত্যাদি।

 

বিজারক কাকে বলে?

উত্তরঃ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে পরমাণু, মূলক বা আয়ন ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাদেরকে বিজারক বলে। বিজারকসমূহ অন্য পরমাণু বা মূলককে বিজারিত করে। যেমন, NaBH4, H2O2,  H₂S, Fe2+, FeCl2, Na2S2O3।

প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কি?

উত্তরঃ প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ হচ্ছে এমন এক ধরনের পদার্থ যেগুলো কঠিন রাসায়নিক পদার্থ হিসেবে বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া এ সব পদার্থ বায়ুর সংস্পর্শে অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ বায়ুতে থাকা CO2, O2 ও জলীয় বাষ্প দ্বারা আক্রান্ত হয় না, রাসায়নিক নিক্তিতে সঠিকভাবে ভর মেপে প্রমাণ দ্রবণ প্রস্তুত করা যায় এবং প্রস্তুতকৃত প্রমাণ দ্রবণের ঘনমাত্রা অনেকদিন পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকে। যেমন- অনার্দ্র সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3), আর্দ্র অক্সালিক এসিড (H2C2O4.2H2O), K2Cr2O7, Na2C2O4.2H2O।

প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের বৈশিষ্ট্য কী কী?

উত্তরঃ প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপঃ

১. প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থগুলোকে বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়;

২. এগুলো বায়ুতে থাকা CO2, O2 ও জলীয় বাষ্প দ্বারা আক্রান্ত হয় না;

৩. রাসায়নিক নিক্তিতে সঠিকভাবে ভর মেপে প্রমাণ দ্রবণ প্রস্তুত করা যায়;

৪. পানিত্যাগী, পানিগ্রাহী ও পানিগ্রাসী নয়।

সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কাকে বলে?

উত্তরঃ যেসব পদার্থ প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ ও শুষ্ক অবস্থায় পাওয়া যায় না, বাতাসের অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয়বাষ্প ইত্যাদির সাথে বিক্রিয়া করে, রাসায়নিক নীক্তিতে সঠিকভাবে ওজন করা যায় না এবং যাদের দ্বারা তৈরিকৃত দ্রবণের ঘনমাত্রা অল্পসময়ে পরিবর্তিত হয় তাদেরকে সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। যেমনঃ  সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄), পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (KMnO₄), হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl), সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH) ইত্যাদি।

জারক ও বিজারকের মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তরঃ জারক ও বিজারকের মধ্যে দুটি পার্থক্য তুলে ধরা হলো–

  • যেসব পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয় তাদের জারক বলে। অন্যদিকে, যেসব পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয় তাদের বিজারক বলে।
  • জারকের জারণ সংখ্যা হ্রাস পেলেও বিজারকের জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

Related Question

View All
  • K2SO4, Fe2(SO4)3, H2O
  • K2SO4, Cr2(SO4)3, H2O
  • Cr2(SO4)3, Fe2(SO4)3, H2O
  • K2SO4, Cr2(SO4)3, Fe2(SO4) H2O
411
  • Cl₂+H₂S → S + 2HCl
  • MnO2 + 4HCl → MnCl2 + Cl2 + 2H2O
  • CuSO4 + 2NH4OH → (NH4)SO4 + Cu(OH)2
  • 2Cl2 + 2H2O → O2+4HC1
485
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই